Skip to main content

একদিনের জন্য সান্তাক্লজ বিরাট কোহলি! দুঃস্থ বাচ্চাদের মুখে ফোটালেন হাসি

একদিনের জন্যই না হয় কোনও বাচ্চার মুখে হাসি ফোটানো গেল! তিনি দেশের ক্রিকেট অধিনায়ক। ক্রিকেট মাঠে বড় রান করলেই কি আর তাঁর দায়িত্ব শেষ হয়! মাঠের বাইরেও অধিনায়ক হয়ে ওঠা তাঁর কর্তব্য। বিরাট কোহলি একদিনের জন্য হয়ে উঠলেন সান্তাক্লজ। ছোট ছোট বাচ্চাদের মুখে হাসিv ফোটালেন। বাচ্চারা প্রথমে তাঁকে চিনতেই পারল না। চিনে ফেলার পর কোহলিকে আনন্দে জড়িয়ে ধরল তারা। আর ছোট ছোট বাচ্চাদের মুখে হাসি ফুটিয়ে বিরাট কোহলির আনন্দের শেষ নেই।





বড়দিনের আগে সিক্রেট সান্তা অবতারে এলেন কোহলি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজের মাঝেই বাচ্চাদের জন্য সময় বের করে নিলেন ভারতীয় অধিনায়ক। কলকাতায় দুঃস্থ বাচ্চাদের হাতে তুলে দিলেন উপহার। সাদা চুল, দাড়ি ও লাল পোশাকের বিরাট কোহলিকে দেখে প্রথমে কেউ চিনতেই পারল না। তার পর দেখতে দেখতে সান্তাক্লজের পোশাক ছেড়ে বেরিয়ে এলেন বিরাট কোহলি। বাচ্চারা তখন ছুটে এসে তাঁকে জড়িয়ে ধরল। বাচ্চাদের মাঝে কোহলিও যেন বাচ্চা হয়ে উঠলেন। হাসি-মজা করে কাটল সময়। উপহার পেয়ে বাচ্চারা বেজায় খুশি। আর উপহার দিতে পের বিরাটও আনন্দিত।

কোহলি বললেন, ''এই মুহূর্তগুলো আমার জন্য খুব স্পেশাল। কারও মুখে হাসি ফোটানোর থেকে ভাল কিছু আর হতে পারে না। এই বাচ্চারা আমাদের জন্য সারা বছর গলা ফাটায়। সমর্থন করে। ওদের মুখে হাসি ফোটাতে পারে আমি দারুন খুশি। সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা। নতুন বছরের আগাম শুভেচ্ছা।''

Comments

Popular posts from this blog

রাশিফল অনুযায়ী দেখে নিন আপনার ভাগ্য

আজকের রাশিফল মেষ:- রাজনৈতিক নেতাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন বৃষ:- মামলায় জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা মিথুন:- বুদ্ধি ভ্রম কর্কট:- বিষন্নতা ভাব সিংহ- আর্থিক কষ্ট কন্যা:- অপত্য স্নেহ তুলা:- ব্যবসায় মন্দা বৃশ্চিক:- সংঘর্ষে ক্ষতি ধনু:- অবৈধ কার্যকলাপ মকর:- পরিতাপ কুম্ভ:- অর্থ প্রাপ্তি মীন:- সৎ সঙ্গে আনন্দ লাভ ০৩ /০৬/২০১৯ ©উড়োচিঠি

সৌভাগ্য আনতে কি কি করবেন?

ভাগ্য ফেরাতে হলে মেনে চলুন এই নিয়ম গুলি সঠিক ব্যালেন্স বজায় রাখুন : বাড়ির প্রতিটা ঘরে সব সময় পাঁচটা এলিমেন্ট রাখতে হবে সেগুলাে হলাে , কাঠ , মাটি , ধাতু , আগুন এবং জল । এর ফলে আপনার জীবন ও পরিবেশের মধ্যে একটা ব্যালেন্স তৈরি হবে । উদাহরণ স্বরূপ আপনি একটা কাঠের বাটিতে পাথর ভরে একটা মােমবাতি এবং ফুল সমেত ফুলদানির পাশে রাখতে পারেন । বা এই এলিমেন্টের প্রতীকী রং ও ব্যবহার করতে পারেন । জল – কালাে কাঠ – সবুজ আগুন - লাল মাটি – হলুদ , খয়েরি ধাতু - সাদা ।  ঘর অপরিছন্ন করে রাখবেন না : ফেং শ্যই অনুযায়ী অপরিছন্ন ঘর অপরিছন্ন মনের পরিচয় দেয় । ঘরের চারিদিকে জিনিস পত্র ছড়িয়ে রাখলে সেই জায়গার সব এনার্জি এই জিনিসগুলাে গ্রাস করে নেয় । আপনি হয়তাে ভাবতে পারেন জিনিসপত্র সব আলমারির আড়ালে লুকিয়ে রাখলে পরিস্থিতি বদলাবে । তা কিন্তু নয় । সব জিনিস পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে গুছিয়ে রাখলে তবেই বাড়িতে ‘ পজিটিভ এনার্জি আসবে । বাড়ির সদর দরজা খােলা রাখুন : মানা হয় বাড়ির সামনের দরজা দিয়ে ‘ পজিটিভ এনার্জি ‘ বাড়িতে ঢােকে । অন্যদিকে এই দরজা যদি বন্ধ থাকে সব সময় এই এনা...

বিজেপির এই সাফল্যের পিছনে কি কারন কাজ করছে তা দেখে নেওয়া যাক-

ফল ঘোষণার সাথে সাথে জোর ধাক্কা খেলো জোড়া ফুল শিবির। অপ্রত্যাশিতভাবে ১৮ টি আসনে পদ্ম ফুটিয়ে তৃণমূল শিবিরকে হিমশিম খাইয়েছে বলাই বাহুল্য।মোদী magic না কি অন্য কিছু কি ছিলো তাদেই এই এত ভালো ফলাফল করার কারন! বিজেপির এই সাফল্যের পিছনে কি কারন কাজ করছে তা দেখে নেওয়া যাক- প্রথমত : রাজ্যে ভোটের মেরুকরণে সম্পূর্ণ ফায়দা লুটেছে গেরুয়া শিবির। যে কারণে আগে তাদের ঝুলিতে থাকা ১৭ শতাংশ ভোট থেকে লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০.০৩ শতাংশে। এরাজ্যে এর আগে বামেদের ভোট ছিল ২৭ শতাংশ, যার প্রায় ষোল আনাই গেছে বিজেপি শিবিরে। দ্বিতীয়ত : বিশেষজ্ঞরা এই কারণটিকে সবথেকে বেশি গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার কারনে জনমত প্রকাশ করতে পারেনি সাধারণ মানুষ। ফলত, মানুষের মধ্যে প্রথম থেকেই একটা ক্ষোভ ছিল। তৃণমূল শিবিরও ভোটদান না হওয়ায় নিজেদের বাস্তব অবস্থান সম্পর্কে ঠাওর করতে পারেনি। মানুষ পঞ্চায়েত ভোট দিতে না পারায় এক প্রতিশোধ নিলো লোকসভায়। তৃতীয়ত : তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের গোষ্ঠী কোন্দল বিজেপির হাত শক্ত করতে সুযোগ করে দিয়েছে। এমনকি স্থানীয় নেতাদের কাছ থেকে বিজেপির উত্থানের সঠিক খবর...