Skip to main content

ভিভিপ্যাট(VVPAT) কি? জানেন! না জানলে জেনে নিন

বিশ্বের সব থেকে বড় লোকতন্ত্রের  নির্বাচন ২০১৯ এ  একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে ছিলেন ভারতীয়  নির্বাচন কমিশন।
এই উদ্যোগের নাম ভিভিপ্যাট । 



ইলেশনের আগে মন্ত্রিসভায় ব্রিফিং করে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি জানিয়েছেন , 2018 এর মধ্যে ১৬ লক্ষ 15000 ভিভিপ্যাট মেশিন বসানো হবে ।
আসুন জেনে নিই, ভিভিপ্যাট কী? এবং এই মেশিনগুলি কীভাবে কাজ করে?


ভিভিপ্যাট কী?-

ভোটার যাচাইযোগ্য কাগজ অডিট ট্রেল (ভিভিপ্যাট) হল এমন এক ধরনের মেশিন যা ইভিএমএস-এর সঙ্গে জোড়া হয় । এর সুবিধা এই  যে, যখন কোন ব্যক্তি এভিএম ব্যবহার করে তাদের ভোট দেন়, এই মেশিনে তিনি যে প্রার্থীর নাম ভোট দিয়েছেন তার নামও এবং পার্টির প্রতিক চিহ্ন তিনি দেখতে পারেন।



কেন লাগানো হয়েছে এই মেশিনঃ-

বিগত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর পরস্পরবিরোধী দল ইভিএম-এ কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন আয়োগের কাছে ইভিএম - এর বদলে ব্যালট পেপারে দ্বারা দ্বিতীয় বার ভোট করানোর দাবি করেছিলেন। এর ফলে এই মেশিন ব্যবহার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয় । 


ভিভিপ্যাট মেশিনের অধীনে ভোটার ভিভিলি সাত সেকেন্ডের জন্য দেখতে পাবেন, আপনি যাকে ভোট দিয়েছেন তা তাঁর পছন্দের প্রার্থী পেয়েছে কি না । এই মেশিনের মাধ্যমে ভোটার তার পার্টির প্রতীক ও প্রার্থীর নাম 
তাঁর পক্ষে বাছাই করা ভাষাতেই দেখা যাবে



বিবাদের হাত থেকে বাঁচাবে এই ভিভিপ্যাট-


 নির্বাচন কমিশন পুরো ভারতে ইলেকশনে ব্যবহার করেছেন এই ভিভিপ্যাট । ইভিএম-এর সঙ্গে যুক্ত থাকায়  ভোটাদাতার তথ্য সহ এই মেশিনে তা সংরক্ষণ করা যাবে যা  বিবাদের পরিস্থিতিতে সঠিক তথ্য সবার সামনে পেশ করবে।

Comments

Popular posts from this blog

আপনার শিশু কন্যা কে সুরক্ষিত রাখুন

কিছু পদক্ষেপের তালিকা দেওয়া হলো আপনার শিশুকে শিক্ষা দিতে পারেন- ১. আপনার শিশুকে কারো কোলে বসতে দিবেন না। ২. সন্তানের বয়স দু’বছরের বেশী হলেই তার সামনে আর আপনি কাপড়চোপড় পাল্টাবেন না। ৩. প্রাপ্ত বয়স্ক কেউ আপনার শিশুকে উদ্দেশ্য করে বলছে: ‘আমার বৌ’, ‘আমার স্বামী’- এটা অ্যালাউ করবেন না। ৪. আপনার শিশু যখন বলছে সে খেলতে যাচ্ছে, কোন্ ধরণের খেলা সে খেলছে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন, উঠতি বয়সি বাচ্চাদের মধ্যে অ্যাবিউজিং প্রবণতা পাওয়া যাচ্ছে। ৫. স্বাচ্ছন্দবোধ করছে না এমন কারো সাথে কোথাও যেতে আপনার শিশুকে জোরাজুরি করবেন না। পাশাপাশি লক্ষ্য রাখুন, আপনার শিশু বিশেষ কোন প্রাপ্ত বয়স্কের ভক্ত হয়ে উঠেছে কিনা। ৬. দারুণ প্রাণচ্ছল কোন শিশু হঠাৎ নির্জিব হয়ে গেলে, তাকে প্রশ্ন করুণ। তার মনের অবস্থাটা পড়তে চেষ্টা করুণ। ৭. বয়:সন্ধি পেরোচ্ছে এমন বাচ্চাকে যৌনমূল্যবোধ সম্পর্কে শিক্ষা দিন। আপনি যদি এ কাজ না করেন, তবে সমাজ তাকে ভুল টা শিখিয়ে দেবে। ৮. কোন ছবি, কার্টুন ইত্যাদি বাচ্চাদের জন্য আনলে আগে তা নিজে দেখুন। কোন বই সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তবেই তা কোমলমতি সন্তানের হাতে দিন। ৯. আপনি নিশ্চিত হন...

হিন্দ স্বরাজ-এর তথ্য

●হিন্দ স্বরাজ-মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী মূল বিষয়বস্তুর কিছু অংশ তুলে ধরছি। হিন্দ স্বরাজ ১৯০৯ সালের লেখা একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ যেখানে কথোপকথন হচ্ছে এক সম্পাদক এবং পাঠকের মধ্যে কুড়ি টি অধ্যায়ে বর্ণিত এই বইটিতে গান্ধীর আলোচ্য বিষয় গুলি ছিল পশ্চিমী সভ্যতার ভারতের ঔপনিবেশিক শাসন ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতি এবং তার গুণাবলী তৎকালীন ভারতীয় জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট।। হিন্দ স্বরাজ গ্রন্থের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল একদিকে নরমপন্থী জাতীয়তাবাদীদের সঙ্গে ভারতীয় জনসাধারণের প্রবল বৈপরীত্য অন্যদিকে ভারতীয় শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের পশ্চিমী সন্ত্রাসবাদি ভাবাদর্শের প্রতি আকর্ষণ নরমপন্থীরা ১৯০৭ সালের মধ্যে ভারতীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা হয়ে পড়ে অথচ তারা চরমপন্থী তথা সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে কোন রাজনৈতিক আলাপ আলোচনায় বসতে চায় নি(অমলেশ ত্রিপাঠী-চরমপন্থি পর্ব)।।  ইংল্যান্ডে গিয়ে বিংশ শতাব্দীর গোড়ায় গান্ধী ভারতের সন্ত্রাসবাদি যুবাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারে যে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের উপায় ব্যর্থতার কারণ।। গান্ধী হিন্দ স্বরাজ গ্রন্থের প্রথমেই বলেছে যে ভারতীয়দ...

বিজেপির এই সাফল্যের পিছনে কি কারন কাজ করছে তা দেখে নেওয়া যাক-

ফল ঘোষণার সাথে সাথে জোর ধাক্কা খেলো জোড়া ফুল শিবির। অপ্রত্যাশিতভাবে ১৮ টি আসনে পদ্ম ফুটিয়ে তৃণমূল শিবিরকে হিমশিম খাইয়েছে বলাই বাহুল্য।মোদী magic না কি অন্য কিছু কি ছিলো তাদেই এই এত ভালো ফলাফল করার কারন! বিজেপির এই সাফল্যের পিছনে কি কারন কাজ করছে তা দেখে নেওয়া যাক- প্রথমত : রাজ্যে ভোটের মেরুকরণে সম্পূর্ণ ফায়দা লুটেছে গেরুয়া শিবির। যে কারণে আগে তাদের ঝুলিতে থাকা ১৭ শতাংশ ভোট থেকে লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০.০৩ শতাংশে। এরাজ্যে এর আগে বামেদের ভোট ছিল ২৭ শতাংশ, যার প্রায় ষোল আনাই গেছে বিজেপি শিবিরে। দ্বিতীয়ত : বিশেষজ্ঞরা এই কারণটিকে সবথেকে বেশি গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার কারনে জনমত প্রকাশ করতে পারেনি সাধারণ মানুষ। ফলত, মানুষের মধ্যে প্রথম থেকেই একটা ক্ষোভ ছিল। তৃণমূল শিবিরও ভোটদান না হওয়ায় নিজেদের বাস্তব অবস্থান সম্পর্কে ঠাওর করতে পারেনি। মানুষ পঞ্চায়েত ভোট দিতে না পারায় এক প্রতিশোধ নিলো লোকসভায়। তৃতীয়ত : তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের গোষ্ঠী কোন্দল বিজেপির হাত শক্ত করতে সুযোগ করে দিয়েছে। এমনকি স্থানীয় নেতাদের কাছ থেকে বিজেপির উত্থানের সঠিক খবর...