Skip to main content

বিসিসিআই-এর নয়া প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায় এবার ভারতীয় ক্রিকেটের মসনদে বসতে চলেছেন। গত রবিবার বোর্ডের নাটকীয় মোড়ে বিসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন 'দাদা'। প্রথমে ব্রিজেশ প্য়াটেলের নাম ঠিক হলেও পরে জানা যায় সৌরভই বোর্ডের প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন জমা দিতে চলেছেন।



কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ'র পুত্র জয় শাহ হতে চলেছেন বোর্ডের নয়া সচিব। অন্যদিকে অরুণ ধুমাল হবেন বিসিসিআইয়ের নয়া কোষাধ্যক্ষ। প্রাক্তন বোর্ড প্রেসিডেন্ট অনুরাগ ঠাকুরের ছোট ভাই অরুণ। রবিবার রাতে ইন্ডিয়ানএক্সপ্রেসডটকম-কে এক সূত্র জানিয়েছেন, "গাঙ্গুলি এখন প্রেসিডেন্ট পদে মনোনীত। আগামিকাল এই পদের জন্য় সে মনোনয়ন দেবে। এদিন বোর্ডের বৈঠকে সকল প্রতিনিধিরা মিলিত ভাবে এই  সিদ্ধান্ত নিয়েছে।"

ভারতীয় ক্রিকেটে বরাবরই এন শ্রীনিবাসনের একটা একচ্ছত্র আধিপত্য় দেখা গিয়েছে। তিনিই ব্রিজেশের জন্য় লবি করেছিলেন যাতে তাঁকে নয়া প্রেসিডেন্ট হিসাবে দেখা যায়। বোর্ডের উত্তর-পূর্ব ভারতের অ্যাফিলিয়েটেড সংস্থার সিনিয়র আধিকারিক সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, "প্রেসিডেন্ট পদের জন্য় ব্রিজেশের জন্য়ই লবি করেছিলেন শ্রীনিবাসন। যদিও ব্রিজেশের বিরুদ্ধে প্রবল আওয়াজ ওঠে। আমরা খুশি যে, সৌরভ আমাদের নতুন বোর্ড প্রেসিডেন্ট।" প্য়াটেল সেক্ষেত্রে আইপিএল চেয়ারম্য়ান হতে পারেন বলেই খবর।
বিরাট কোহলিদের নতুন বোর্ড গঠন নিয়ে গত শনিবার থেকেই শুরু হয়েছে নয়া 'কিস্সা'। যা প্রায় রুদ্ধশ্বাস থ্রিলারে পরিণত হয়েছে। সোমবার অর্থাৎ আজই বোর্ডের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। সব ঠিক থাকলে সৌরভই যে সিংহাসনে বসতে চলেছেন তা প্রায় বলে দেওয়া যায় এখনই।

Comments

Popular posts from this blog

আপনার শিশু কন্যা কে সুরক্ষিত রাখুন

কিছু পদক্ষেপের তালিকা দেওয়া হলো আপনার শিশুকে শিক্ষা দিতে পারেন- ১. আপনার শিশুকে কারো কোলে বসতে দিবেন না। ২. সন্তানের বয়স দু’বছরের বেশী হলেই তার সামনে আর আপনি কাপড়চোপড় পাল্টাবেন না। ৩. প্রাপ্ত বয়স্ক কেউ আপনার শিশুকে উদ্দেশ্য করে বলছে: ‘আমার বৌ’, ‘আমার স্বামী’- এটা অ্যালাউ করবেন না। ৪. আপনার শিশু যখন বলছে সে খেলতে যাচ্ছে, কোন্ ধরণের খেলা সে খেলছে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন, উঠতি বয়সি বাচ্চাদের মধ্যে অ্যাবিউজিং প্রবণতা পাওয়া যাচ্ছে। ৫. স্বাচ্ছন্দবোধ করছে না এমন কারো সাথে কোথাও যেতে আপনার শিশুকে জোরাজুরি করবেন না। পাশাপাশি লক্ষ্য রাখুন, আপনার শিশু বিশেষ কোন প্রাপ্ত বয়স্কের ভক্ত হয়ে উঠেছে কিনা। ৬. দারুণ প্রাণচ্ছল কোন শিশু হঠাৎ নির্জিব হয়ে গেলে, তাকে প্রশ্ন করুণ। তার মনের অবস্থাটা পড়তে চেষ্টা করুণ। ৭. বয়:সন্ধি পেরোচ্ছে এমন বাচ্চাকে যৌনমূল্যবোধ সম্পর্কে শিক্ষা দিন। আপনি যদি এ কাজ না করেন, তবে সমাজ তাকে ভুল টা শিখিয়ে দেবে। ৮. কোন ছবি, কার্টুন ইত্যাদি বাচ্চাদের জন্য আনলে আগে তা নিজে দেখুন। কোন বই সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তবেই তা কোমলমতি সন্তানের হাতে দিন। ৯. আপনি নিশ্চিত হন...

১৫ জনের প্রাণ বাঁচিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় হিরো এই যুবক

সুরাট অগ্নিকাণ্ড : হৈচৈ এর  মাঝে  ১৫ জনের প্রাণ বাঁচালেন এই যুবক ।সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন হিরো গুজরাতে সুরাটের একটি কোচিং সেন্টারে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডে  প্রাণ হারালেন ২১ জন ছাত্রছাত্রী । গুজরাত-সহ সারা দেশে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সবাই শোকাহত । কোচিং সেন্টারের চতুর্থ তলায় আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রাণ বাঁচাতে ছাত্রছাত্রীরা উপর থেকে লাফি দিতে শুরু করে । কিন্তু সেই হৈচৈ-এর মাঝে যখন সবাই দুর্ঘটনার ভিডিও তুলতে ব্যস্ত  তখন তাদের  প্রাণ বাঁচানোর জন্য এগিয়ে এলেন এক ব্যক্তি । চার তালা থেকে লাফিয়ে পড়া  ছাত্রকে ধরে ফেলে জীবন রক্ষা করেন কেতন নামের ওই যুবক । জ্বলন্ত আগুনের মাঝে শিক্ষার্থীরা তাদের জীবন বাঁচাতে  উপর থেকে লাফ দিতে শুরু করে । কিন্তু কেতন তৃতীয় তলায় উঠে ছাত্র ছাত্রী দের বাঁচানোর জন্য তাদের কে  তৃতীয়  তলায় নামাতে সাহায্য করেতে থাকেন । চতুর্থ  তলা থেকে জমিতে লাফিয়ে পড়া ছাত্রীদের জীবন বাঁচাতে তিনি সাহায্য করেন । কেতনের দেখা দেখি বাকি রাও সাহস জুটিয়ে এগিয়ে আসেন। আরও আরও পড়ুন-  আপনার শিশু কন্যা কে সুরক্ষিত...

হিন্দ স্বরাজ-এর তথ্য

●হিন্দ স্বরাজ-মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী মূল বিষয়বস্তুর কিছু অংশ তুলে ধরছি। হিন্দ স্বরাজ ১৯০৯ সালের লেখা একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ যেখানে কথোপকথন হচ্ছে এক সম্পাদক এবং পাঠকের মধ্যে কুড়ি টি অধ্যায়ে বর্ণিত এই বইটিতে গান্ধীর আলোচ্য বিষয় গুলি ছিল পশ্চিমী সভ্যতার ভারতের ঔপনিবেশিক শাসন ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতি এবং তার গুণাবলী তৎকালীন ভারতীয় জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট।। হিন্দ স্বরাজ গ্রন্থের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল একদিকে নরমপন্থী জাতীয়তাবাদীদের সঙ্গে ভারতীয় জনসাধারণের প্রবল বৈপরীত্য অন্যদিকে ভারতীয় শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের পশ্চিমী সন্ত্রাসবাদি ভাবাদর্শের প্রতি আকর্ষণ নরমপন্থীরা ১৯০৭ সালের মধ্যে ভারতীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা হয়ে পড়ে অথচ তারা চরমপন্থী তথা সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে কোন রাজনৈতিক আলাপ আলোচনায় বসতে চায় নি(অমলেশ ত্রিপাঠী-চরমপন্থি পর্ব)।।  ইংল্যান্ডে গিয়ে বিংশ শতাব্দীর গোড়ায় গান্ধী ভারতের সন্ত্রাসবাদি যুবাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারে যে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের উপায় ব্যর্থতার কারণ।। গান্ধী হিন্দ স্বরাজ গ্রন্থের প্রথমেই বলেছে যে ভারতীয়দ...