Skip to main content

DARK WEB

ইন্টারনেটের তিন টি ভাগ, আমরা যে/যার মাধ্যমে  ইন্টারনেটের টি ব্যাবহার করি এবং Browse করি সেটি হলো Surface web এর মধ্যে নেটের ৪-১৬%থাকে(গুগল/উইকি/ফেসবুক/ব্লগ/টুইটার/youtube)ইত্যাদি থাকে।এবং এই টুকুর মধ্যেই ৩.৫ trillion web page আছে যা আমরা access করি।এর পর থাকে Deep web এর মধ্যে থাকে net banking/research/medical laboratory test results/private document/ যা ব্যাবহার করে Banking site এবং নানা সরকারি বিভাগ এই লিঙ্ক বা সাইট গুলি শুধু মাত্র vpn এর মাধ্যমেই খোলা যায় এগুলি প্রাইভেট পার্টে থাকে এর ই একটি অংশ  যা Dark web নামে পরিচিত এর মধ্যেই নেট জগৎ এর ৮৬% আবদ্ধ প্রথমত বলে রাখি এটি ব্যবহার করে Black Hacker/আর্মস ব্যবসায়ী/ড্রাগস ব্যবসায়ী /চাইল্ড, adult porn  ইত্যাদি নানা রকম অসামাজিক কাজে যুক্ত ব্যক্তি রা, এইসব সাইট গুলি থেকে আপনার ব্যাঙ্কের তথ্য চুরি করা হয়/এছাড়াও আছে ব্লাক মার্কেট যে কোনো জিনিস বিনা tax এ আপনি পেতে পারেন,/খুনের সুপারি দেওয়া/কোনো কোম্পানির তথ্য চুরি করা/এবং আপনি social media/ আপনার ফোনে যে তথ্য গুলি private locker এ রাখেন সেগুলিও চুরি এই Dark web এর মাধ্যমে।এগুলি সম্ভব হয় কারন এটি গুগল এর ই একটি অংশ এবং গুগুল আপনার সব তথ্য একটি একটি নির্দিষ্ট পার্টে সেভ করে রাখে।Dark web এর বিশেষ যে ব্যাপার টি সেটি হলো আপনি এই সাইটে সাধারন Browser দিয়ে ঢুকতে পারবেন না এটির জন্য ব্যবহার হয় Tor Browser এবং সাধারন সাইট গুলিতে আমরা যেমন (.com) ব্যাবহার করি তেমনি এখানে (.onian) ব্যাবহার হয়। কেন হয়?  কারন এখানে একটি মাত্র isp ব্যাবহার হয়না a-z এখানে onian রাউটিং হয় ফলে কাউকে ট্রাক করা সম্ভব নয় vpn ধরা যায় না। এখানেinternet এর বেশিরভাগ টাই থাকে কিন্তু সবটাই ক্রাইম এর উপর ভিত্তি করে। সব থেকে বড়ো ব্যাপার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র Business development এর জন্য এই সংস্থাকে ১.৮মিলিয়নডলার দিয়েছিলো এমটা শোনা যায়।এমন কি মৃত্যুমুখী গেম ব্লু হোয়েল/মোমো এই সাইট থেকেই পরিচালনা করা হয়ে ছিলো।এই Browser এর বড়ো একটা অংশ জুড়ে শুধুই Hacker রা থাকে এবং তাদের কে আপনি টাকা দিয়ে যা কিছু করে নিতে পারেন।
কিন্তু  এই Browser ব্যাবহার করবেন না কারন আপনি যে কোনো লিঙ্কে ঢুকতে পারবেন কিন্তু সেখান থেকে Back ট্রাক করে আপনার তথ্যই হ্যাক করা হতে পারে, আর onian রাউটিং এ আঁটকে গেলে তার থেকে আপনি কখনও নিজের তথ্য মুছে ফেলতে বা সুরক্ষিত করতে পারবেন না।
যাইহোক আজ এতটুকুই পরে কখনও সম্ভব হলে আরও তথ্য জানাবো।।
✍️অজয় ঘোষ
©UrochithiPublisher

Comments

Popular posts from this blog

আপনার শিশু কন্যা কে সুরক্ষিত রাখুন

কিছু পদক্ষেপের তালিকা দেওয়া হলো আপনার শিশুকে শিক্ষা দিতে পারেন- ১. আপনার শিশুকে কারো কোলে বসতে দিবেন না। ২. সন্তানের বয়স দু’বছরের বেশী হলেই তার সামনে আর আপনি কাপড়চোপড় পাল্টাবেন না। ৩. প্রাপ্ত বয়স্ক কেউ আপনার শিশুকে উদ্দেশ্য করে বলছে: ‘আমার বৌ’, ‘আমার স্বামী’- এটা অ্যালাউ করবেন না। ৪. আপনার শিশু যখন বলছে সে খেলতে যাচ্ছে, কোন্ ধরণের খেলা সে খেলছে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন, উঠতি বয়সি বাচ্চাদের মধ্যে অ্যাবিউজিং প্রবণতা পাওয়া যাচ্ছে। ৫. স্বাচ্ছন্দবোধ করছে না এমন কারো সাথে কোথাও যেতে আপনার শিশুকে জোরাজুরি করবেন না। পাশাপাশি লক্ষ্য রাখুন, আপনার শিশু বিশেষ কোন প্রাপ্ত বয়স্কের ভক্ত হয়ে উঠেছে কিনা। ৬. দারুণ প্রাণচ্ছল কোন শিশু হঠাৎ নির্জিব হয়ে গেলে, তাকে প্রশ্ন করুণ। তার মনের অবস্থাটা পড়তে চেষ্টা করুণ। ৭. বয়:সন্ধি পেরোচ্ছে এমন বাচ্চাকে যৌনমূল্যবোধ সম্পর্কে শিক্ষা দিন। আপনি যদি এ কাজ না করেন, তবে সমাজ তাকে ভুল টা শিখিয়ে দেবে। ৮. কোন ছবি, কার্টুন ইত্যাদি বাচ্চাদের জন্য আনলে আগে তা নিজে দেখুন। কোন বই সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তবেই তা কোমলমতি সন্তানের হাতে দিন। ৯. আপনি নিশ্চিত হন...

১৫ জনের প্রাণ বাঁচিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় হিরো এই যুবক

সুরাট অগ্নিকাণ্ড : হৈচৈ এর  মাঝে  ১৫ জনের প্রাণ বাঁচালেন এই যুবক ।সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন হিরো গুজরাতে সুরাটের একটি কোচিং সেন্টারে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডে  প্রাণ হারালেন ২১ জন ছাত্রছাত্রী । গুজরাত-সহ সারা দেশে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সবাই শোকাহত । কোচিং সেন্টারের চতুর্থ তলায় আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়তেই প্রাণ বাঁচাতে ছাত্রছাত্রীরা উপর থেকে লাফি দিতে শুরু করে । কিন্তু সেই হৈচৈ-এর মাঝে যখন সবাই দুর্ঘটনার ভিডিও তুলতে ব্যস্ত  তখন তাদের  প্রাণ বাঁচানোর জন্য এগিয়ে এলেন এক ব্যক্তি । চার তালা থেকে লাফিয়ে পড়া  ছাত্রকে ধরে ফেলে জীবন রক্ষা করেন কেতন নামের ওই যুবক । জ্বলন্ত আগুনের মাঝে শিক্ষার্থীরা তাদের জীবন বাঁচাতে  উপর থেকে লাফ দিতে শুরু করে । কিন্তু কেতন তৃতীয় তলায় উঠে ছাত্র ছাত্রী দের বাঁচানোর জন্য তাদের কে  তৃতীয়  তলায় নামাতে সাহায্য করেতে থাকেন । চতুর্থ  তলা থেকে জমিতে লাফিয়ে পড়া ছাত্রীদের জীবন বাঁচাতে তিনি সাহায্য করেন । কেতনের দেখা দেখি বাকি রাও সাহস জুটিয়ে এগিয়ে আসেন। আরও আরও পড়ুন-  আপনার শিশু কন্যা কে সুরক্ষিত...

বিজেপির এই সাফল্যের পিছনে কি কারন কাজ করছে তা দেখে নেওয়া যাক-

ফল ঘোষণার সাথে সাথে জোর ধাক্কা খেলো জোড়া ফুল শিবির। অপ্রত্যাশিতভাবে ১৮ টি আসনে পদ্ম ফুটিয়ে তৃণমূল শিবিরকে হিমশিম খাইয়েছে বলাই বাহুল্য।মোদী magic না কি অন্য কিছু কি ছিলো তাদেই এই এত ভালো ফলাফল করার কারন! বিজেপির এই সাফল্যের পিছনে কি কারন কাজ করছে তা দেখে নেওয়া যাক- প্রথমত : রাজ্যে ভোটের মেরুকরণে সম্পূর্ণ ফায়দা লুটেছে গেরুয়া শিবির। যে কারণে আগে তাদের ঝুলিতে থাকা ১৭ শতাংশ ভোট থেকে লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০.০৩ শতাংশে। এরাজ্যে এর আগে বামেদের ভোট ছিল ২৭ শতাংশ, যার প্রায় ষোল আনাই গেছে বিজেপি শিবিরে। দ্বিতীয়ত : বিশেষজ্ঞরা এই কারণটিকে সবথেকে বেশি গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার কারনে জনমত প্রকাশ করতে পারেনি সাধারণ মানুষ। ফলত, মানুষের মধ্যে প্রথম থেকেই একটা ক্ষোভ ছিল। তৃণমূল শিবিরও ভোটদান না হওয়ায় নিজেদের বাস্তব অবস্থান সম্পর্কে ঠাওর করতে পারেনি। মানুষ পঞ্চায়েত ভোট দিতে না পারায় এক প্রতিশোধ নিলো লোকসভায়। তৃতীয়ত : তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের গোষ্ঠী কোন্দল বিজেপির হাত শক্ত করতে সুযোগ করে দিয়েছে। এমনকি স্থানীয় নেতাদের কাছ থেকে বিজেপির উত্থানের সঠিক খবর...