Skip to main content

নরমপন্থী ও চরমপন্থী বিভাজন সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের মতামত

নরমপন্থী ও চরমপন্থী বিভাজন সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ কি বলে ছিলেন? কেন এই ভাগ,কাদের দোষ!




রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কংগ্রেসের বিভাজন সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন-


কংগ্রেসে একটি উপদ্রব ঘটবে এ আশঙ্কা সকলের মনে জেগেছিল কিন্তু প্রতিকারের ব্যবস্থা কোন দলই করেন নি কেবল নিজেদের বৃদ্ধির চেষ্টা করেছিল আসলে উপদ্রব যাতে আরও জোরালো হয়।

দেশের জন্য যে যোগ্য হয় তার বক্তৃতার বিষয়টি কেমন হবে তা যেমন একটি দল ঠিক করে, এবং সেই দলে যারা প্রধান থাকেন তারা সেই কার্য রূপায়ন করে শুধু নিষ্কৃতি পেতে পারেন না। বিচক্ষণতার সাথে কাজ করে দায়িত্ব নেওয়া উচিত প্রত্যেকেরই। যেকোনো কারণে কাজটি পন্ড হলে তা থেকে কেউই নিষ্কৃতি পেতে পারে না শুধুমাত্র গাল দিয়ে। বারুদেরভান্ডারে দেশলাই দিয়ে আগুন জ্বালালে অগ্নি কান্ড ঘটবে এতে সন্দেহ নেই। এই রকম হলে কর্তৃপক্ষ বারুদ বা দেশলাই দাড় করাতে পারে না, কিন্তু সবাইকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো জগতে এই ছবি সর্বত্র দেখা যায়, মনিপুরী হত্যাকাণ্ডে দোষীদের শাস্তি দিতে তারা ধর্মকে তৃপ্ত করেছিল এবং আজ বাংলাদেশের যে বিচিত্র রকমের উৎপাত বেড়েছে সেজন্য বাঙালি বন্ধন পীড়া সহ্য করতে হচ্ছে ওদিকে কার্জন আর মার্লির জয়ধ্বনীর বিরাম নেই।

বস্তুত বারুদ ও দেশলাই কে যারা সত্য বলে জানে ও স্বীকার করে তারা এই দুটোর সংঘাতকে ঠেকাবার জন্য সর্বপ্রকার উপায় উদ্ভাবন করে থাকে। দোষ বা রাগ যারই হোক সেকথা নিয়ে গরম না হয়ে হাতের কাজটা কি রকম করলে সিদ্ধ হবে এই ব্যবস্থা করার জন্য তারা তৎপর হয়।

এবারকার যারা কংগ্রেসের অধ্যক্ষ ছিল তারা অপ্রিয় সত্য সত্যকে স্বীকার করবে না বলে ঘর থেকেই পন করে এসেছিল। স্বীকার করলে তাকে খাতির করা হয় এই তাদের আশঙ্কা ছিল, চরমপন্থী বলে একটা দল যে কারণেই হোক দেশে জেগে উঠেছিল একথা নিয়ে আক্ষেপ করতে পারে কিন্তু একে অস্বীকার করতে পারো না কেউ এর ক্ষমতা  কতটা তা তোমাকে বুঝে চলতে হবে কিন্তু যখন স্বয়ং সভাপতি মহাশয় নিজের মন্তব্য এই দলের প্রতি কটাক্ষ করেছিলেন, তখন তিনি নিজেই বিরক্তি প্রকাশ বক্তব্য বলে মনে করেছেন এবং অবস্থা বিচার করে মার বাঁচিয়ে কংগ্রেসের জাহাজকে কূলে পৌঁছে দেওয়া সে সম্বন্ধে তার চিন্তা ছিল না। এটা যে ওকালতি না বিরুদ্ধে পক্ষ কে কথার প্যাচে ফেলে দেওয়া যে বৃহৎ কাজের পরিণাম নয় দেশের সকল মতের লোকের টেনে এনে সকলের শক্তিকে দেশের মঙ্গল সাধনের নিয়োজিত করা এবং উৎসাহিত করা যে এর সবচেয়ে বড় উদ্দেশ্য তা সাময়িক উত্তেজনা তিনি মনে রাখেননি। তিনি এমন ভাবে কংগ্রেসের হালের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন যেন চরমপন্থী দলটা জলের একটা ঢেউ মাত্র পাহাড় নয় যেন শুধু প্রবল বাক্যালাপে পাল উড়িয়ে ওটাকে নিয়ে চলে যাওয়া যাবে।

আবার চরমপন্থীরা এমন ভাবে কোমর বেঁধে এসেছিল কংগ্রেসের রণক্ষেত্রের মধ্যে যেন যে মধ্যমপন্থী না এতদিন ধরে কংগ্রেস চালনা করে আসছিল তারা এমন একটা বাধা যাহাকে ঠেলে অভিভূত করে চলে যাবে। এতে যা হয় হোক, এবং এটা এখনই করতে হবে এইবার এই ধ্বজা উড়িয়ে না গেলেই নয় দেশের মধ্যে এবং কংগ্রেসের সভায় মধ্যমপন্থী রা স্থানীয় যে কি অসম্পূর্ণভাবে এবং বিরোধী তার সাথে শিকার না করার জন্য মনের মধ্যে এক প্রচন্ড আগ্রহ হয়েছিল।

এইযেল লুব্ধতা এই যে অন্ধ নির্বন্ধ এটা যদি দলবর্তি সাধারণ লোকের মধ্যে বদ্ধ থাকে তাহলে সেটাকে মার্জনীয় বলা চলে। কিন্তু যারা দলের কতৃপদে আছেন তারাও যদি না বুঝে কোথায় রাশ টানতে হবে সেটা না ভেবে এগিয়ে যাওয়াই সহজলভ্য মনে করে তাহলে তো আর যথার্থ অনিবার্য ঘটবে। তবে এটাই বলতে হবে সংসার যারা বড় জিনিসকে গড়ে তুলতে পারেন যারা কার্যসিদ্ধি লক্ষ্যকে কোনমতেই ভুলতে পারে না তারা তারা মহান, কিন্তু এরা সে দলের লোক না। এরা কবির লড়াই এর মত উপস্থিত বাহবা কুড়ানোর জন্যই এসে থাকে দায়িত্ব দৃষ্টিকে অবিচল স্থিরতার সাথে সুদুরপ্রসারী করতে পারে না।

বিরুদ্ধ পক্ষের সত্তাকে যথেষ্ট সত্য বলে স্বীকার না করার চেষ্টায় এবার কংগ্রেসকে  ভেঙে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে। এক গাড়ির ইঞ্জিন যদি সামনের গাড়ির ইঞ্জিন কে একেবারে নেই বলে বা ঠেকা ঠেকি হলে ও  তখনও পরস্পরকে অস্বীকার করে যদি গতি বাড়িয়ে দেওয়ায় নিজের রাস্থা তৈরীর উপায় বলে মনে করে, তবে একটা ভেঙে যাওয়ার ব্যাপার না ঘটে থাকতে পারে না। এ অবস্থায় চালক যারা তাদের প্রশংসা পত্র দেওয়া যায় না।

মধ্যমপন্থী ও চরমপন্থী এই উভয় দলই কংগ্রেসের অধিকার করাকেই যদি দেশের কাজ করা বলে একান্ত ভাবে না মনে করত, যদি দেশের সত্তিকারের কর্ম ক্ষেত্রে এরা প্রতিষ্ঠা লাভ করে থাকত। দেশের শিক্ষা স্বাস্থ্য অর্থের অভাব মোচন করার জন্য যদি এরা নিজের শক্তিকে নানা পথে অহরহ একাগ্র মনে নিয়োজিত করতো সত্যকারের সাধনা ও সিদ্ধি কাকে বলে তার সাধ যদি পেতে এবং দেশের জনসাধারণের সঙ্গে কায়মনোবাক্যে নিজচোখে  দেশের প্রাণ কে শক্তিশালী ও প্রত্যক্ষভাবে উপলব্ধি করতে তাহলে কংগ্রেসের সভাপতি পদ নেওয়ার চেষ্টা এবং উন্নত হয়ে উঠত না। দেশের মধ্যে হার হতো না, বারবার প্রত্যেকের অশান্ত চেষ্টায় হৃদয়ের মধ্যে দিয়ে পথ করে পথ করে নেওয়া এবং সেই পথে রম্যস্থান সভাপতির আসন না এমনকি তার পান্থশালা ও নয় এটাও মাথায় রাখা দরকার ছিল।

আর যদি মনে করা হয় কংগ্রেসের কর্তৃত্ব লাভ বিদেশি তো সাধনের একটা চরিতার্থতা তবে কি এত বড় একটা সম্পাদকের এমন অধৈর্য ও প্রমত্ততার সহিত কাড়াকাড়ি করা উচিত ছিল? এর ফলে যাকে চাই তাকে কি অপমান করা হয় না।

কাজির বিচার এর কথা মনে আছে!  দুই স্ত্রী লোক যখন একটি ছেলেকে নিজের ছেলে বলে কাজ এর কাছে নালিশ করতে গিয়েছিল তখন কাজী বলেছিলেন ছেলেটাকে দুটি ভাগে ভাগ করে দুজনকে দিয়ে দাও। এ কথা শুনে প্রকৃত মা বলে উঠল ছেলে আমি চাইনা অপরকে দেওয়া হোক যে যথার্থ মা সে ছেলেকে নষ্ট করার চেয়ে নিজের দল ত্যাগ করা এবং মোকদ্দমায় হার মানা অনায়াসে স্বীকার করে নেওয়া কে যথাযথ মনে করবে।

এবারকার কাজির বিচার একই দেখা গেল দুই দিকের একই জেদ যে বরং কংগ্রেসকে যেমন সত্য ও তেমন বড় করে মনে করেন না ইহা যে এক ধর্মী পদার্থ বিচ্ছিন্ন হতে পারে, এবং ইহা দুর্বল হয়ে যায় তা কেউ নিজের প্রাণ এর মধ্যে তেমন করে অনুভব করেননি। তার কারণ কি এই নয় এই জিনিসটাকে বিশ বছর তা দিয়ে ও ইহার মধ্যে প্রাণ পদার্থের পরিচয় পাওয়া যায় নাই সেইজন্য ইহা আমাদের দেশকে এক ধৈর্য দীক্ষিত করেন এই আমাদের পরেও এজন্য কংগ্রেসের দাবি অত্যন্ত দুর্বল ইহা অতি অল্প ও যেটুকু আমাদের কাছে চায় তাও পূর্ণমাত্রায় পায় না। আমাদের অর্থ সমার্থক অবসরের উদ্বৃত্ত এবং অতি অকিঞ্চিৎকর পরিমাণেই কংগ্রেসের জন্য রাখে এবং যারা রাখেন সেই কয়েকজনের সংখ্যা এই বিশাল ভারতের জনসংখ্যার মধ্যে অতি ক্ষুদ্র সামান্য।

এই প্রসঙ্গে আমাদের নিবেদন এই যে কংগ্রেস কি সত্য করে তুলতে গেলে কংগ্রেসের মঞ্চে বসেই তা করা যায় না দেশের ভিতরে সত্য  কাজে প্রবৃত্ত হতে হয়সমস্ত দেশের লোক কে গ্রামে গ্রামে ঘরে ঘরে গিয়ে সত্য মন্ত্রে দীক্ষিত করে তুলতে সচেষ্ট হতে হয় তবেই সমস্ত দেশের যোগে ওই কংগ্রেস সত্য হয়ে উঠবে সেই দিকে চেয়ে শ্রেণি যুক্ত করলে চেষ্টা সার্থক হবে কংগ্রেসকে দিনে দিনে বসে বসে দেশের ভিতর দিয়ে সত্য অনুধাবন করতে হবে এবং সত্য কে সমৃদ্ধ করে তুলতে হবে এই চেষ্টায় কোন এক পৃথিবী থেকে হোক না কেন তাকে এ বছর বছর কোনরকমে তখন করে বসবো এই চেষ্টা এমন চেষ্টা করা উচিত নয় যার জন্য দুই ভাইয়ের লড়াই করে কিষ্কিন্ধা অভিনয় করা যেতে পারে।

আমাদের পুরানে একটি যোগ্যভঙ্গের ইতিহাস আছে দক্ষ যখন তার যজ্ঞের সতী অর্থাৎ সত্যকে অস্বীকার করে মঙ্গলকে অপমানিত করেছিল তখন প্রচন্ড উপদ্রব শুরু হয়েছিল তার মন ছবি নষ্ট হয়েছিল কেবল নিজের দক্ষতা এর প্রতি অন্ধ অভিমান বসত জগতের যে সত্য এবং সে ক্ষেত্রে সত্যকে এবং শিবকে স্বীকার করা অনাবশ্যক মনে করেছে সেই কালি এবং সেই খানে কে বলছে কর্মকণ্ড হয়ে আছে তা নয় অনর্থ ঘটেছে ক্ষমতাশালী সকালের জন্য নির্জীব করে ফেলতে পারে কিন্তু রুদ্রকে কখনই ঠকাতে পারে না ইংরেজ বুঝেছে বলে আমরা অভিযোগ এনেছি কিন্তু আমরা নি যদি ভুল করি এবং বল কলাকৌশল কি সত্য অবলম্বন গান করি সত্যি যদি অপমানিত করি তবে জাগ্রত করে তুলবো তাতে সন্দেহ মাত্র নি সত্য যদি আমরা রক্ষা করি ও মঙ্গল কে বিশ্বাস করি তবে ধৈর্য ও শান্তি উদারতা আমাদের পক্ষে সহজ হবে তবে আমরা অসহিষ্ণুতা এবং পরাজয়ে হতাশ হবো না বুদ্ধির পার্থক্য ওকে সহ্য করব এবং স্বাধীনতা অধিকার লাভ করা তখনই সম্ভব হবে।

যজ্ঞভঙ্গ


©উড়োচিঠি মিডিয়া 
Copyright

Comments

Popular posts from this blog

রাশিফল অনুযায়ী দেখে নিন আপনার ভাগ্য

আজকের রাশিফল মেষ:- রাজনৈতিক নেতাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন বৃষ:- মামলায় জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা মিথুন:- বুদ্ধি ভ্রম কর্কট:- বিষন্নতা ভাব সিংহ- আর্থিক কষ্ট কন্যা:- অপত্য স্নেহ তুলা:- ব্যবসায় মন্দা বৃশ্চিক:- সংঘর্ষে ক্ষতি ধনু:- অবৈধ কার্যকলাপ মকর:- পরিতাপ কুম্ভ:- অর্থ প্রাপ্তি মীন:- সৎ সঙ্গে আনন্দ লাভ ০৩ /০৬/২০১৯ ©উড়োচিঠি

সৌভাগ্য আনতে কি কি করবেন?

ভাগ্য ফেরাতে হলে মেনে চলুন এই নিয়ম গুলি সঠিক ব্যালেন্স বজায় রাখুন : বাড়ির প্রতিটা ঘরে সব সময় পাঁচটা এলিমেন্ট রাখতে হবে সেগুলাে হলাে , কাঠ , মাটি , ধাতু , আগুন এবং জল । এর ফলে আপনার জীবন ও পরিবেশের মধ্যে একটা ব্যালেন্স তৈরি হবে । উদাহরণ স্বরূপ আপনি একটা কাঠের বাটিতে পাথর ভরে একটা মােমবাতি এবং ফুল সমেত ফুলদানির পাশে রাখতে পারেন । বা এই এলিমেন্টের প্রতীকী রং ও ব্যবহার করতে পারেন । জল – কালাে কাঠ – সবুজ আগুন - লাল মাটি – হলুদ , খয়েরি ধাতু - সাদা ।  ঘর অপরিছন্ন করে রাখবেন না : ফেং শ্যই অনুযায়ী অপরিছন্ন ঘর অপরিছন্ন মনের পরিচয় দেয় । ঘরের চারিদিকে জিনিস পত্র ছড়িয়ে রাখলে সেই জায়গার সব এনার্জি এই জিনিসগুলাে গ্রাস করে নেয় । আপনি হয়তাে ভাবতে পারেন জিনিসপত্র সব আলমারির আড়ালে লুকিয়ে রাখলে পরিস্থিতি বদলাবে । তা কিন্তু নয় । সব জিনিস পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে গুছিয়ে রাখলে তবেই বাড়িতে ‘ পজিটিভ এনার্জি আসবে । বাড়ির সদর দরজা খােলা রাখুন : মানা হয় বাড়ির সামনের দরজা দিয়ে ‘ পজিটিভ এনার্জি ‘ বাড়িতে ঢােকে । অন্যদিকে এই দরজা যদি বন্ধ থাকে সব সময় এই এনা...

মাত্র ৯০ মিনিটে নিউ ইয়র্ক থেকে লন্ডন পর্যন্ত পাড়ি দেবে জেট বিমান ।

মাত্র 90 মিনিটে নিউ ইয়র্ক থেকে লন্ডন পর্যন্ত পাড়ি দেবে হেরামিয়াস হাইপারসনিক জেট বিমান । এক মার্কিন স্টার্টআপ কোম্পানি এমন একটি বিমান তৈরির প্রস্তুতি নিয়েছেন, যার গতি হবে শব্দের  গতির চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি । এই পরিক্ষা সফল হলে  নিউইয়র্ক ও লন্ডনে যেতে সময় লাগবে মাত্র 90 মিনিট । আটলান্টার এরোস্পেস কোম্পানি  হার্মিনস কর্পোরেশন জানিয়েছে, কোম্পানির  প্রতিষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠাতা ও বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে এই পোজেক্টে প্রয়োজনিও অর্থের অনুমতি পাওয়া গিয়েছে   । ধ্বনির গতির চেয়ে পাঁচ গুণ দ্রুত হবে এমন একটি উড়োজাহাজ প্রস্তুত করতে চলেছে উক্ত  প্রতিষ্ঠানটি । কোম্পানি এই প্রকল্পে সফল হলে তা বাণিজ্যিক এবং আন্তরীন-বিমান উড্ডয়ন বিপ্লব ঘটাবে । বর্তমানে নিউ ইয়র্ক থেকে লন্ডন যেতে সাত ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে । হার্মিয়াসের সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও এজে পিপলকা কোম্পানির ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে বলেন, "আমরা বিশ্বব্যাপী পরিবহন কাঠামোর ওপর বৈপ্লব পরিবর্তন আনতে যাত্রা শুরু করেছি ।