Skip to main content

ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন মহিলা শক্তির নাম স্মৃতি ইরানি।ডেলিভারির দু-দিনপর গিয়েছিলেন শুটিং এ। আসুন জেনেনিন তার জীবনের ঘটনা

উত্তরপ্রদেশের অমেঠি লোকসভা আসনে গোটা দেশের সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে । এই লোকসভা সিট কংগ্রেস ও গাঁধী পরিবারের চিরাচরিত আসন বলে সকলেই জানেন।  কিন্তু এবার এখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি ইতিহাস বদলে দিলেন ।

বিজেপির টিকিটে দ্বিতীয়বারের জন্য অমেঠী থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন স্মৃতি ইরানি ।  স্মৃতি ইরানি এই সংগ্রামের জন্য সবার কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন । টিভি ক্যারিয়ারে তার সংগ্রামের চেতনার ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছেন  । অমেঠি নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পরে স্মৃতির জনপ্রিয়তা এখনো তুঙ্গে । 


আসুন আমরা জেনে নিই... তার জীবনের কিছু ঘটনা -



1998-এ মিস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি, কিন্তু ফাইনালে পৌঁছাতে  পারেননি তিনি । এর পর স্মৃতি  মুম্বই গিয়ে অভিনয়ের মাধ্যমে সৌভাগ্য পরীক্ষা করতে থাকেন।


স্মৃতী ইরানিকে বেশ কয়েকটি টিভি শো-তে দেখা গিয়েছে । '  কিউকি সাস ভী কাভি বাজু থি" টিভি সিরিয়ালের মাধ্যমে তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন । অনুষ্ঠানে তাঁর চরিত্রের নাম ছিলো তুলসী, যা অত্যন্ত বিখ্যাত ছিল । এছাড়া অনেক মিউজিক ভিডিওতেও তাকে দেখা গেছে ।

অক্টোবর,  ২০০১ এ তিনি প্রথম পুত্রসন্তান জাহার কে জন্ম দেন । তিনি সেই সময় কাজ করছিলেন  বিখ্যাত টিভি সিরিয়াল ' কিউকি সাস ভী কাভি বাজি থি ' তে । একটি অনুষ্ঠানে স্মৃতি নিজেই অভিনয় জীবনের সমস্যাগুলো শেয়ার করে বলেন, তিনি বাচ্চা হওয়ার মাত্র ২ দিন পর আবার শুটিংয়ে  ফিরে এসেছিলেন  ।


২০০১ এ সেরা অভিনেতার পুরস্কার ও পেয়েছেন স্মৃতি ইরানি । , স্মৃতি ' রামায়ণ '-এ সীতার ভূমিকায় ও অভিনয় করেছিলেন


2008 সালে সাক্ষী তানওয়ার সঙ্গে স্মৃতি একটি নাচের রিয়েলিটি শো ' ইয়ে হ্যায় জলওয়া ' হোস্ট  করেন ।
ভারতীয় সাধারণ নির্বাচনে ২০১৪, স্মৃতি কংগ্রেস সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী ও আম আদমি পার্টির নেতা কুমার বিশ্বজিৎদের বিরুদ্ধে অমেঠী সংসদীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং তাঁকে কঠোর চ্যালেঞ্জ করেন । এমনকী, নির্বাচনে হেরে গেলেও তাঁকে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে ভারত সরকারের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী করা হয়েছে ।  ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন, স্মৃতি  কংগ্রেস সভাপতি রাহুল  গান্ধীকে তার চিরাচরিত সিট  অমেঠি তে তাকে প্রথম বার পরাস্ত করেন ।


©উড়োচিঠি UROCHITHI MEDIA

Comments

Popular posts from this blog

আপনার শিশু কন্যা কে সুরক্ষিত রাখুন

কিছু পদক্ষেপের তালিকা দেওয়া হলো আপনার শিশুকে শিক্ষা দিতে পারেন- ১. আপনার শিশুকে কারো কোলে বসতে দিবেন না। ২. সন্তানের বয়স দু’বছরের বেশী হলেই তার সামনে আর আপনি কাপড়চোপড় পাল্টাবেন না। ৩. প্রাপ্ত বয়স্ক কেউ আপনার শিশুকে উদ্দেশ্য করে বলছে: ‘আমার বৌ’, ‘আমার স্বামী’- এটা অ্যালাউ করবেন না। ৪. আপনার শিশু যখন বলছে সে খেলতে যাচ্ছে, কোন্ ধরণের খেলা সে খেলছে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন, উঠতি বয়সি বাচ্চাদের মধ্যে অ্যাবিউজিং প্রবণতা পাওয়া যাচ্ছে। ৫. স্বাচ্ছন্দবোধ করছে না এমন কারো সাথে কোথাও যেতে আপনার শিশুকে জোরাজুরি করবেন না। পাশাপাশি লক্ষ্য রাখুন, আপনার শিশু বিশেষ কোন প্রাপ্ত বয়স্কের ভক্ত হয়ে উঠেছে কিনা। ৬. দারুণ প্রাণচ্ছল কোন শিশু হঠাৎ নির্জিব হয়ে গেলে, তাকে প্রশ্ন করুণ। তার মনের অবস্থাটা পড়তে চেষ্টা করুণ। ৭. বয়:সন্ধি পেরোচ্ছে এমন বাচ্চাকে যৌনমূল্যবোধ সম্পর্কে শিক্ষা দিন। আপনি যদি এ কাজ না করেন, তবে সমাজ তাকে ভুল টা শিখিয়ে দেবে। ৮. কোন ছবি, কার্টুন ইত্যাদি বাচ্চাদের জন্য আনলে আগে তা নিজে দেখুন। কোন বই সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তবেই তা কোমলমতি সন্তানের হাতে দিন। ৯. আপনি নিশ্চিত হন...

হিন্দ স্বরাজ-এর তথ্য

●হিন্দ স্বরাজ-মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী মূল বিষয়বস্তুর কিছু অংশ তুলে ধরছি। হিন্দ স্বরাজ ১৯০৯ সালের লেখা একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ যেখানে কথোপকথন হচ্ছে এক সম্পাদক এবং পাঠকের মধ্যে কুড়ি টি অধ্যায়ে বর্ণিত এই বইটিতে গান্ধীর আলোচ্য বিষয় গুলি ছিল পশ্চিমী সভ্যতার ভারতের ঔপনিবেশিক শাসন ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতি এবং তার গুণাবলী তৎকালীন ভারতীয় জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট।। হিন্দ স্বরাজ গ্রন্থের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল একদিকে নরমপন্থী জাতীয়তাবাদীদের সঙ্গে ভারতীয় জনসাধারণের প্রবল বৈপরীত্য অন্যদিকে ভারতীয় শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের পশ্চিমী সন্ত্রাসবাদি ভাবাদর্শের প্রতি আকর্ষণ নরমপন্থীরা ১৯০৭ সালের মধ্যে ভারতীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা হয়ে পড়ে অথচ তারা চরমপন্থী তথা সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে কোন রাজনৈতিক আলাপ আলোচনায় বসতে চায় নি(অমলেশ ত্রিপাঠী-চরমপন্থি পর্ব)।।  ইংল্যান্ডে গিয়ে বিংশ শতাব্দীর গোড়ায় গান্ধী ভারতের সন্ত্রাসবাদি যুবাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারে যে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের উপায় ব্যর্থতার কারণ।। গান্ধী হিন্দ স্বরাজ গ্রন্থের প্রথমেই বলেছে যে ভারতীয়দ...

বিজেপির এই সাফল্যের পিছনে কি কারন কাজ করছে তা দেখে নেওয়া যাক-

ফল ঘোষণার সাথে সাথে জোর ধাক্কা খেলো জোড়া ফুল শিবির। অপ্রত্যাশিতভাবে ১৮ টি আসনে পদ্ম ফুটিয়ে তৃণমূল শিবিরকে হিমশিম খাইয়েছে বলাই বাহুল্য।মোদী magic না কি অন্য কিছু কি ছিলো তাদেই এই এত ভালো ফলাফল করার কারন! বিজেপির এই সাফল্যের পিছনে কি কারন কাজ করছে তা দেখে নেওয়া যাক- প্রথমত : রাজ্যে ভোটের মেরুকরণে সম্পূর্ণ ফায়দা লুটেছে গেরুয়া শিবির। যে কারণে আগে তাদের ঝুলিতে থাকা ১৭ শতাংশ ভোট থেকে লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০.০৩ শতাংশে। এরাজ্যে এর আগে বামেদের ভোট ছিল ২৭ শতাংশ, যার প্রায় ষোল আনাই গেছে বিজেপি শিবিরে। দ্বিতীয়ত : বিশেষজ্ঞরা এই কারণটিকে সবথেকে বেশি গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার কারনে জনমত প্রকাশ করতে পারেনি সাধারণ মানুষ। ফলত, মানুষের মধ্যে প্রথম থেকেই একটা ক্ষোভ ছিল। তৃণমূল শিবিরও ভোটদান না হওয়ায় নিজেদের বাস্তব অবস্থান সম্পর্কে ঠাওর করতে পারেনি। মানুষ পঞ্চায়েত ভোট দিতে না পারায় এক প্রতিশোধ নিলো লোকসভায়। তৃতীয়ত : তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের গোষ্ঠী কোন্দল বিজেপির হাত শক্ত করতে সুযোগ করে দিয়েছে। এমনকি স্থানীয় নেতাদের কাছ থেকে বিজেপির উত্থানের সঠিক খবর...